কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ এ ০৮:৩৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বোর্ড পরিচিতি

“বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিন” ‘The Bangladesh Unani and Ayurvedic Practitioners Ordinance, 1983’ (Ordinance NO. XXXII OF 1983) বলে প্রতিষ্ঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষা গ্রহণ, সনদ প্রদান, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকগণের নিবন্ধন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক প্রকাশনা, গবেষণা ও দাতব্য সেবা, বোর্ডের বিভিন্ন কমিটির সভা অনুষ্ঠান ইত্যাদি বোর্ডের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত।
১৯৪৭ ইং সালে দেশ বিভাগের পর ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের দাবীর মুখে ১৯৫৬ ইং সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আাইন পাশ এবং ১৯৫৭ সালের মাঝামাঝি কার্যকর হয়। কিন্তু ১৯৫৮ ইং সালে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের পারস্পরিক মত বিরোধের সুযোগে তৎকালীন সামরিক শাসক আইনটি বাতিল করে। এর প্রায় এক দশক পর ১৯৬৫ ইং সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক এ্যাক্ট পাশ হয়। ১৯৭১ ইং সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদ্বয়ের পর অন্যান্য আইনের সাথে ১৯৬৫ ইং সালের ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আইনের কার্যকারীতা বহাল থাকে। বোর্ড অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস্ অব মেডিসিন বাংলাদেশ নামে ঢাকায় বোর্ডের দফতর স্থাপিত ও কার্যক্রম শুরু হয়। এর প্রায় এক যুগ পর “বাংলাদেশ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ (অর্ডিন্যান্স নং- XXXII/১৯৮৩)” জারী হয় এবং “বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস্ অব মেডিসিন” নামে বোর্ডের নামকরন হয়।