কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ এ ০৮:৫২ PM
কন্টেন্ট: পাতা
ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রের ইতিহাস
প্রাকৃতিকউপাদান নির্ভর ট্রেডিশনাল মেডিসিনবা দেশীয় চিকিৎসা সহজ, সুলভ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ামুক্তচিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে সমাদৃত। পৃথিবীর প্রায়প্রত্যেক দেশেই প্রাকৃতিক উপাদাননির্ভর চিকিৎসা পদ্ধতির প্রচলন কমবেশী রয়েছে। ট্রেডিশনাল মেডিসিন বা দেশীয় চিকিৎসারদুটি ধারা: (১) ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি ও (২) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
প্রাকৃতিকউপাদান নির্ভর চিকিৎসা বাদেশীয় চিকিৎসা পদ্ধতির ইতিহাস মানব ইতিহাসেরসমান্তরাল ও সমসাময়িক মনেকরলে একেবারে ভুল হবে না। বাঁচার তাগিদে, সুস্থ থাকার প্রয়োজনে মানুষবিবেক বিবেচনা খাটিয়েছে এবং হাতের কাছেপ্রাপ্ত সম্পদ বিভিন্ন উপায়েকাজে লাগিয়েছে।
ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি:
যুগেরক্রমবিবর্তনের সাথে সাথে চিকিৎসাবিজ্ঞানেরও উন্নতি ও প্রসারলাভ করে। প্রাচীনতমনীতি বিদ্যার মূলসূত্র প্রথম প্রণীত হয়ব্যাবিলনে (২২০০ BC) চিকিৎসকদের কাছে মানুষ যেধরণের আচরণ প্রত্যাশা করেতার বিস্তারিত বিবরণ থাকে এনীতিমালায়। গ্রীক চিকিৎসকহিপোক্রেট (377-460 BC) এ বিষয়ে আরওব্যাপক অবদান রাখেন।মিসরীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রভূত উন্নয়ন সাধিতএবং শল্যবিদ্যায় দক্ষতা অর্জিত হয়। রোমানদের আগমনেরফলে অন্যান্য বিষয়ের সাথে চিকিৎসাবিজ্ঞানও গ্রীক এবং রোমানদেরহাতে চলে যায়।মিশরের চিকিৎসা বিজ্ঞান গ্রীসে এলে ইউনানীচিকিৎসা বিজ্ঞান নাম ধারণ করে। এ চিকিৎসাবিজ্ঞান ইউরোপে প্রসার লাভকরলে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেরভিত্তি স্থাপিত হয়।
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি:
পৃথিবীর অন্যান্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাশাপাশি ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানও প্রাচীন। যা আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান নামে খ্যাত।ঐতিহাসিক স্যার জন মার্শালের মতে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে ভারতের জনসাধারণের জীবন ধারণ উন্নতমানের ছিল।বাবেল ও মিশরীয় সভ্যতার চাইতে তারা পিছিয়ে ছিলনা। বৈদিক যুগের পর (খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০সাল) ব্রাহ্মযুগের সূচনা। এ যুগে আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানের উজ্বল জ্যোতিষ্কসমূহ দৃষ্টিগোচর হয়। সুশ্রুত, চরক ও ভগবত এ যুগেই পদার্পন করেছিলেন।